দৈনিক অনুসন্ধান
আচরনগত ভাবে দুইজনের ছবিটি মিলাতে পারছিনা, অথচ তারা পিতা কন্যা। কন্যা সায়মা ফেরদৌস চৌধুরী যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা মনিরুল হক চৌধুরী। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি মনিরুল হক চৌধুরী এক সময়ে দেশ কাঁপানো বিখ্যাত ছিলেন। যদিও ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, বিএনপি সব সরকারের মধু খেয়েছেন তিনি। জীবনের পড়ন্ত বেলায় আবার ধানের শীষ নিয়ে সংসদে পা রেখেছেন। নিজের বয়সের বার্ধক্যে শব্দচয়নে অসংগতি থাকাই স্বাভাবিক বিষয়। তবে বেশভূষায় দরবেশী ফেরেস্তার এমন আচরন মুসলিম উম্মাহ আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে।
এবার আসা যাক তাঁরই সুযোগ্য কন্যা ডক্টর সায়মা চৌধুরী যার ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় ভেসে আসলে শ্রদ্ধায় শির নত হয়ে আসে। জুলাইয়ের দিনগুলোতে আমাদের মতো ৭০ উর্ধ্বে বয়স্ক থেকে ঘরের গৃহিণী সহ সকল বয়সীরা যেমন মাঠে ছিলো তার চাইতে ও দৃষ্টিগোচর হয়েছে একজন শিক্ষিকা, মমতাময়ী মা, ও ছাত্র ছাত্রীদের ডাল হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে হুংকারে পুলিশ পিছু হটে। আপনারা কোন সাহসে আমার সন্তান আমার ছাত্র ছাত্রীদের গায়ে হাত তুলতে গ্রেফতার করতে এসেছেন। আমার জীবন থাকতে তা হতে দেবো না। সেই ডঃ সায়মা চৌধুরীকে একজন শালীন হিজাবী দেখেই পুলিশ সম্মান দেখিয়েছে।
আজ তাঁর বৃদ্ধ পিতা মুসলিমদের ধর্মিয় পোশাক ও আল্লাহর বিধান নিয়ে মস্করা সম্পুর্ণ কুফরি। আমরা মুসলিম উম্মাহর এই বিধানের বিষয়ে একজন হিজাবী নারী ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় ডক্টর সায়মা চৌধুরী তাঁর পিতার উক্তির বিষয়ে জাতিকে শান্তনা দিতে পারেন। আমরা ডঃ সায়মা চৌধুরীকে বিষয়টি ভাবতে অনুরোধ করছি।