1. admin@dailyanusandhan.com : admin :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দৈনিক গোয়েন্দা সংবাদ-এর বার্তা সম্পাদক রবিউল ইসলাম জুয়েল মায়ের ইন্তেকাল। দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় ওয়াং নারকেলের বর্জ্য ব্যবহার করে সমুদ্রের জল ছাঁকার একটি ব্যবস্থা তৈরি করেন। এনআইডিতে জন্মতারিখ ও নাম সংশোধনে নতুন নিয়ম। ফরিদগঞ্জ ভূমি অফিসের অফিস সহকারী মাছুম আলমকে স্ট্যান্ড রিলিজ। মিথ্যা তথ্য ছড়ালে ব্যবস্থা’ বক্তব্য প্রত্যাহার করলো বিদ্যুৎ বিভাগ ক্যানসার গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন চাঁদপুরের সন্তান আবু আলী সিনা। এবার চিনিতেও মিলল ব্যাপক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক। মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া ২৬টি টুথপেস্টের তালিকায় ইউনিলিভারের ক্লোজআপ ও পেপসোডেন্ট ব্র্যান্ডের আটটি। ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রথম মুসলিম অধ্যক্ষ মতলবের ড. নওয়াব আলী করোনা : চীনের উহানের সেই ল্যাবে অর্থায়ন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র

এবার চিনিতেও মিলল ব্যাপক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক।

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৯৮ বার পঠিত

জাতীয়
এবার চিনিতেও মিলল ব্যাপক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক
দৈনিক অনুসন্ধান নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ , ১০:১৬ এএম
শেয়ার করুন:

চিনিতেও মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক।ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া চিনিতে ব্যাপক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, পরীক্ষা করা চিনির ৯৫ শতাংশ নমুনাতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক রয়েছে। প্রতি কেজি চিনিতে ২১০ থেকে ৫০৮টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে। গবেষকদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে মানুষ অজান্তেই এসব ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা গ্রহণ করছে।

সম্প্রতি Journal of Food Composition and Analysis–এ প্রকাশিত গবেষণাটি পরিচালনা করেন গবেষক সাদিয়া আফরিন, নায়ন হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান। গবেষণার জন্য ঢাকার বিভিন্ন খুচরা বাজার থেকে সংগ্রহ করা সাত ধরনের বাণিজ্যিক চিনি ব্র্যান্ডেড ও খোলা উভয় ধরনের বিশ্লেষণ করা হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, ব্র্যান্ডেড চিনিতে গড়ে প্রতি কেজিতে ৩২২টি এবং খোলা বা নন-ব্র্যান্ডেড চিনিতে গড়ে ৪০৩টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। যদিও দুই ধরনের চিনির মধ্যে পার্থক্য পরিসংখ্যানগতভাবে উল্লেখযোগ্য নয়, তবে খোলা চিনিতে দূষণের মাত্রা তুলনামূলক বেশি ছিল।

পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া মাইক্রোপ্লাস্টিক কণার আকার ছিল প্রায় ১২ মাইক্রোমিটার থেকে ৩.১৯ মিলিমিটার পর্যন্ত। এর মধ্যে প্রায় ৬৩ শতাংশ ছিল তন্তু (ফাইবার), ২১ শতাংশ খণ্ড (ফ্র্যাগমেন্ট), ১১ শতাংশ পাতলা স্তর (ফিল্ম) এবং ৫ শতাংশ গোলাকার কণা। গবেষকদের ধারণা, এসব কণা প্লাস্টিকের প্যাকেজিং, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ যন্ত্রপাতি, পরিবহন, সংরক্ষণ এবং পরিবেশে ছড়িয়ে থাকা ক্ষয়প্রাপ্ত প্লাস্টিক থেকে খাদ্যে মিশে থাকতে পারে।

রাসায়নিক বিশ্লেষণে বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক পলিমারের উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাক্রাইলোনাইট্রাইল বিউটাডিয়েন স্টাইরিন (এবিএস), পলিভিনাইল ক্লোরাইড (পিভিসি), পলিইথিলিন টেরেফথ্যালেট (পিইটি), পলিটেট্রাফ্লুরোইথিলিন (পিটিএফই), উচ্চ ঘনত্বের পলিইথিলিন (এইচডিপিই) এবং নাইলনসহ আরও কয়েক ধরনের পলিমার।

গবেষণায় মানুষের সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকিও মূল্যায়ন করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, শুধু চিনি থেকেই একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন গড়ে প্রতি কেজি শারীরিক ওজনের বিপরীতে ০.২১৭৮টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা গ্রহণ করতে পারেন। যদিও এই মাত্রা তুলনামূলকভাবে কম, তবুও গবেষকদের মতে, চিনি মানুষের জন্য মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণের একটি ধারাবাহিক উৎস হিসেবে কাজ করছে। দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যপ্রভাব সম্পর্কে আরও বিস্তৃত গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

গবেষকরা জানান, বাংলাদেশে চিনি উৎপাদন ও পরিশোধনের বিভিন্ন ধাপে প্লাস্টিকভিত্তিক ফিল্টার, পাইপ, বস্তা, কনভেয়ার ও প্যাকেজিং উপকরণ ব্যবহারের কারণে দূষণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এছাড়া উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের সময় বাতাসের মাধ্যমে মাইক্রোপ্লাস্টিক চিনিতে মিশে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক অনুসন্ধান
Theme Customized By Shakil IT Park