1. admin@dailyanusandhan.com : admin :
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
দৈনিক গোয়েন্দা সংবাদ-এর বার্তা সম্পাদক রবিউল ইসলাম জুয়েল মায়ের ইন্তেকাল। দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় ওয়াং নারকেলের বর্জ্য ব্যবহার করে সমুদ্রের জল ছাঁকার একটি ব্যবস্থা তৈরি করেন। এনআইডিতে জন্মতারিখ ও নাম সংশোধনে নতুন নিয়ম। ফরিদগঞ্জ ভূমি অফিসের অফিস সহকারী মাছুম আলমকে স্ট্যান্ড রিলিজ। মিথ্যা তথ্য ছড়ালে ব্যবস্থা’ বক্তব্য প্রত্যাহার করলো বিদ্যুৎ বিভাগ ক্যানসার গবেষণায় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন চাঁদপুরের সন্তান আবু আলী সিনা। এবার চিনিতেও মিলল ব্যাপক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক। মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া ২৬টি টুথপেস্টের তালিকায় ইউনিলিভারের ক্লোজআপ ও পেপসোডেন্ট ব্র্যান্ডের আটটি। ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রথম মুসলিম অধ্যক্ষ মতলবের ড. নওয়াব আলী করোনা : চীনের উহানের সেই ল্যাবে অর্থায়ন করেছিল যুক্তরাষ্ট্র

পবিত্র কাবার গিলাফের ক্যালিগ্রাফার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুখতার।

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ৯৮ বার পঠিত

পবিত্র কাবার গিলাফের ক্যালিগ্রাফার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুখতার
দৈনিক অনুসন্ধান আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্ট
সৌদি আরব
১৭ জুন, ২০২৬
পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফ বা কিসওয়ার ক্যালিগ্রাফার হিসেবে বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শিল্পী মুখতার আলম শাকদার। জন্মসূত্রে সৌদি আরবের বাসিন্দা এই খ্যাতিমান ক্যালিগ্রাফার দীর্ঘদিনের আরবি হস্তলিপি চর্চা ও গবেষণার মাধ্যমে নিজেকে একজন অনন্য শিল্পী ও শিক্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ইসলামি বিশ্বের অন্যতম পবিত্র ও সম্মানিত এই নিদর্শনের ক্যালিগ্রাফির দায়িত্বে একজন বাংলাদেশির থাকাটা গোটা মুসলিম বিশ্বের কাছে এক বিশেষ গৌরবের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তাঁর এই সম্মানজনক দায়িত্বপ্রাপ্তির গল্পটি শুরু হয় ১৪২২ হিজরিতে। ওই সময় জেদ্দার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ক্যালিগ্রাফার মুহাম্মাদ সালেম বাজনাইদের সঙ্গে মুখতার আলমের পরিচয় হয়। তাঁর ক্যালিগ্রাফির অসাধারণ দক্ষতা ও শৈলী দেখে মুগ্ধ হন বাজনাইদ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁর নাম প্রস্তাব করেন। এরপর মক্কার পবিত্র উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নিজের দক্ষতার প্রমাণ দিয়ে সফলভাবে উত্তীর্ণ হন মুখতার আলম।

পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর ১৪২৩ হিজরির জমাদিউল আউয়াল মাসে (জুলাই ২০০২) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কাবা শরিফের কিসওয়া তৈরির কারখানায় ক্যালিগ্রাফার হিসেবে যোগ দেন। দায়িত্ব গ্রহণের পরই তিনি প্রাচীন এই শিল্পে আধুনিক প্রযুক্তির চমৎকার সমন্বয় ঘটান। কিসওয়ার ক্যালিগ্রাফি পদ্ধতিতে বিশেষায়িত কম্পিউটারভিত্তিক ইলেকট্রনিক প্রোগ্রাম চালুর মাধ্যমে তিনি লেখার নিখুঁততা ও সার্বিক মানোন্নয়নে এক যুগান্তকারী ভূমিকা রাখেন।

কাজের ধরনে আধুনিকতা ও নতুনত্ব আনলেও কিসওয়ার মূল ঐতিহ্যবাহী নকশা থেকে তিনি কখনোই বিচ্যুত হননি। হারামাইন আর্কাইভের তথ্যমতে, কিসওয়ার বর্তমান নকশাটি মূলত বিখ্যাত ক্যালিগ্রাফার শাইখ আবদুর রহিম আমিন বুখারির তৈরি ‘সুলুস’ লিপির ওপর ভিত্তি করে রচিত। মুখতার আলম সেই শতবর্ষী ঐতিহ্য সযত্নে বজায় রেখে অক্ষরের আকার, প্রস্থ এবং বৃত্ত ও আয়তাকার নকশার অনুপাত আরও পরিমার্জন করেছেন। একই সঙ্গে কাবার দরজার পর্দা ও এর চারপাশের অলংকরণে যুক্ত করেছেন আরও সূক্ষ্ম ও নান্দনিক সৌন্দর্য, যা পবিত্র কাবাঘরের গাম্ভীর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

সূত্র: হারামাইন আর্কাইভ

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক অনুসন্ধান
Theme Customized By Shakil IT Park